খাবার দ্রুত খাচ্ছেন? জেনে নিন ক্ষতিকর দিক
নিউজ ডেস্ক
302
প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০২১

ওজন বাড়ানো বা কমানো নিয়ে এমন অনেক বিষয় আছে যা সম্পর্কে আমরা জানি না বললেই চলে।ওজন কমানোর বিষয়ে এমন কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলি আমাদের হাতের বাইরে হওয়ায় সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা বাস্তবেই সম্ভব নয়। সেগুলির মধ্যে পড়ে জেনেটিক, পরিবেশ ও কিছু বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা। তবে ডায়েট,শরীর চর্চা,খাদ্যাভাস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কিছু বিষয় প্রয়োজনে পাল্টানো যায়।
আস্তে ধীরে খাওয়ার অভ্যেস অনেকেই পছন্দ করেন না। বেশিরভাগ বিশ্বাস করেন যে কেউ যদি আস্তে আস্তে খায় তার মানে তার হজমশক্তি দুর্বল বা সে খুব অলস। তাই যে কোনো কাজে সময় লাগে তার। কিন্তু, যারা ওজন কমাতে চাইছেন, তাদের জন্যে এই উপায়টি খুবই কার্যকর। যারা ওজন কমাতে চান তারা সারাদিনের ক্যালরি গ্রহণ নিয়ে খুব চিন্তিত থাকেন। আস্তে আস্তে খেলে যেমন পরিতৃপ্তি পাওয়া যায় তেমনি সম্পূর্ণ পেট ভরার অনুভূতিও হয়। এতে করে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগেনা। বিষয়টি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধীরে সুস্থে খাওয়ার উপকারিতা।
১.আস্তে আস্তে খেলে পরিপাক ক্রিয়া সফল হয়। ফলে হজম হয় খুব ভালো। এতে পুষ্টিগুণও সঠিকভাবে যায় শরীরে।
২. খাদ্যের তৃপ্তি শান্ত মনের পরিবেশ এনে দেয়। ফলে আমাদের মানসিক চাপ কমে যায় অনেকটাই।
৩. আস্তে খেলে চিবাতে হবে বেশি। ফলে হজম স্বাভাবিক পথে হয়।
৪. আস্তে খেলে খাবার চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যেস বেড়ে যায়। এতে শক্তি ক্ষয় হয়ে থাকে।
৫. একসাথে প্রয়োজনের বেশি খাওয়ার অভ্যাসও থাকে না আস্তে খেলে। এতে ওবেসিটির একটা সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার কোনো জায়গা থাকে না।
আরও পড়ুন:
সদ্য সংবাদ সম্পর্কিত আরও

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
১৩ জুন ২০২৪

ঈদুল আযহা উপলক্ষে নেক্সাস টেলিভিশন-এ থাকছে বিশেষ টকশোসহ অনুষ্ঠান
১২ জুন ২০২৪

শেয়ারবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার দাবি সংসদে
১১ জুন ২০২৪

শেয়ারবাজারে আসলে স্টক এক্সচেঞ্জের শতভাগ শিখবেন: বিএসইসি চেয়ারম্যান
১০ জুন ২০২৪

ঈদে টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
০৮ জুন ২০২৪

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবে ডিবিএ: বিএসইসি চেয়ারম্যান
০৬ জুন ২০২৪