কিভাবে নির্বাচকদের মন জয় করলেন আবু জায়েদ? দল ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন জানালেন উত্তর।
“আমরা যতটা দেখেছি, ওর বোলিংয়ে যথেষ্ট সুইং আছে। আমাদের পেসারদের মধ্যে সুইং বোলারের সংখ্যা বেশ কম। যেহেতু ইংলিশ কন্ডিশনে খেলা, আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ আছে। মে-জুন মাসের দিকে ঠাণ্ডাও বেশি থাকে। তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। সেক্ষেত্রে সুইং বোলার কাউকে দলে রাখলে আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট। সেই চিন্তা থেকেই রাহিকে (আবু জায়েদ) দলে রাখা হয়েছে।”
তবে প্রধান নির্বাচক যেমন বলছেন, তাপমাত্রা ইংল্যান্ডে ততটা কমই থাকবে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে চিরায়ত ইংলিশ কন্ডিশনের বাস্তবতা বেশ আগেই বদলে গেছে। সেখানে এখন খেলা হয় ব্যাটিং স্বর্গে, সুইং মেলে কমই।
অন্যতম নির্বাচক হাবিবুল বাশারের ব্যাখ্যা, বিশেষ দিনগুলোর জন্যই মূলত আবু জায়েদকে দলে রাখা।
“আবু জায়েদকে রাখা হয়েছে মূলত নতুন বলে তার সামর্থ্যের কারণে। আমাদের দলে মুস্তাফিজ, রুবেল, সাইফ, ওরা কিন্তু পুরোনো বলে বেশ কার্যকর। ইংল্যান্ডে কন্ডিশন যখন-তখন পরিবর্তন হয়। যদি আকাশ মেঘলা থাকে, বৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে নতুন বলে একজন সুইং বোলার লাগবে। সেটির জন্য রাহিকে দলে রাখা।”
আবু জায়েদকে নেওয়া জায়গাটিতে প্রবলভাবে বিবেচনায় ছিলেন তাসকিন আহমেদ ও শফিউল ইসলামও। পুরো ফিট হতে না পারায় তাসকিন আহমেদ সুযোগ পাননি। আর সুইংয়ের কারণেও শফিউল থেকে এগিয়ে গেছেন আবু জায়েদ, জানালেন প্রধান নির্বাচক।
“আমাদের নির্বাচক প্যানেলের আলোচনায় কিন্তু শফিউলকে এগিয়ে রেখেছিলাম। এরপর টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলাপের পর আমরা একজন সুইং বোলারের ব্যাপারে ভাবছিলাম। তখনই রাহির কথা মাথায় এসেছে। সুইং বোলার হিসেবেই রাহিকে রাখা হয়েছে।”